#cyclone #cyclonesitrang #আবহাওয়া #ঘূর্ণিঝড় #আবহাওয়া বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি গতকাল রবিবার রাত ৯টার দিকে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’-এ রূপ পরিগ্রহ করে বাংলাদেশ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে। আজ সোমবার রাতের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলভাগে আঘাত হানতে পারে। সিত্রাং ঘূর্ণিঝড়টি কক্সবাজার থেকে সাতক্ষীরা পর্যন্ত ১৯ জেলার ৭৩০ কিলোমিটার উপকূল জুড়ে আঘাত হানতে পারে। এটির গতিবেগ হতে পারে ৯০ থেকে ১১০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং এ জেলাগুলোর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে তিন থেকে পাঁচ ফুট উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। চরাঞ্চলগুলোতে স্বাভাবিকের চেয়ে ৭ থেকে ১০ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাস হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। নোয়াখালীর ভাসানচর, হাতিয়া, সুবর্ণচর, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ ও ভোলার মনপুরায় ১০-১২ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। সিডরের পর উপকূলীয় এলাকায় সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হতে পারে সিত্রাং। আবহাওয়া অধিদপ্তর দেশের সকল সমুদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে। সিত্রাংয়ের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় গতকাল রাত থেকে কোথাও গুঁড়ি গুঁড়ি কোথাও ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। সিত্রাংয়ের প্রভাবে আজ থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত উপকূলীয় অঞ্চলসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল, পূর্বাঞ্চল এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড । এর ফলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।