আজ সন্ধ্যে সাড়ে ছটা নাগাদ বালি বিধানসভার অন্তর্গত 66 নম্বর ওয়ার্ডের ভারতীয় জনতা পার্টি বালি বিধানসভার মনোনীত প্রার্থী বৈশালী ডালমিয়ার আইনি পদ্ধতি মেনে চলছিল একটি পদযাত্রা সেই পদযাত্রা কে বানচাল করতে ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর নারায়ণ মজুমদারের নেতৃত্বে তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে বৈশালী ডালমিয়ার পদযাত্রা কে রাস্তার মধ্যে আটকে দেয় ভাগাড়ের মনসা কলোনির মধ্যে উভয় পক্ষ মুখোমুখি হওয়ার ফলে সৃষ্টি হয় একটি উত্তেজনার মুহূর্ত সেই সময় বৈশালী ডালমিয়ার বক্তব্য অনুযায়ী লিলুয়া থানা র আইসি কে বারবার ফোন করা হলেও তিনি বিভিন্ন অজুহাতে ফোনটি রেখে দেন তার ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয় এবং উত্তেজনার পারদ এতটাই ছিল যে আশেপাশের মানুষজন রা ঘর থেকে বেরিয়ে আসে এবং আতঙ্কে দোকানপাট বন্ধ করতে থাকে দোকানদাররা সেই সময় লিলুয়া থানার পুলিশ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে করে দীর্ঘক্ষণ পর পৌঁছায় এবং ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীদের সেখান থেকে চলে যেতে বলে এই বলার পর উত্তেজনা আরো চরমে পৌঁছায় ঘটনাস্থলে বৈশালী ডালমিয়া জানায় আইন মেনে আমাদের পদযাত্রা করার অনুমতি আছে কিন্তু তৃণমূল দলের কোন অনুমতি নেই তারা কি করে এখানে আমাদের মিছিল আটকায় লিলুয়া থানার পুলিশ তৃণমূলের কর্মীদের চলে যেতে বলে তাতেও কোন কাজ হয়না দীর্ঘক্ষন চলে পুলিশের সাথে বচসা এবং ধস্তাধস্তি তারপর বাধ্য হয়ে পুলিশ মাইকিং করতে থাকে বিজেপির আইনি অনুমতি আছে কিন্তু ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর নারায়ন মজুমদারের কোন অনুমতি নেই তারা যেন সেখান থেকে চলে যায় তারপরে তৃণমূলের কর্মীরা ওখান থেকে মিছিল করে বেরিয়ে যান এই ঘটনার পর ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীরা আইন মেনে আবার পদযাত্রা শুরু করলেন এবং তাদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছে গেলেন বৈশালী ডালমিয়া জানালেন এই ভাগাড় অঞ্চলের মানুষদের তৃণমূলের থেকে জল রাস্তায় বেরোনো বন্ধ করে রেখেছে এবং বাড়ি বাড়ি হুমকি দিয়েছে এবং দিয়ে চলেছে তৃণমূলের কর্মীরা তাই এখানে তিনি এসেছে এসব বিষয়গুলো জানতে চাইছিলেন তখনই তার উপরেই আক্রমণ নেমে আসে পরবর্তীকালে সংবাদমাধ্যম নারায়ণ মজুমদার এর কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন কিছু বলতে অস্বীকার করলেন।