যে ৭ কাজ শুরু করে রাসুল নেতা পাওয়ার পাওয়ার সাল্লাম সাতটি কাজ ছেড়ে দিতে বলেছেন। যে কাজগুলো মানুষ নিশ্চিত করতে হবে। জাহান্নামী হবে তার স্থান। হাদিসে পাকে এ ফ্লাইট বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহ পাওনা ওয়াসাল্লাম পরবর্তী- হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু করেন, রাসুল পাক্কে বর্ননা করেন, র্যাসুল পাকে গুরুত্বপূর্ণ সাল্লাম লেখক, তোমরা সাতটি চট্টাত্মক কাজ ছেড়ে দেবে। যোগাযোগ গণ জানতে চাইলেন, কী কী? রাসুল পুলিশ- উত্তোলনকারী সাল্লাম বললেন আল্লাহ তাআলার সঙ্গে শরিক করা। জাদু করা। অন্যায়ভাবে কোনো সংহার (কাউকে চাপ) করা। সুদ পছন্দ। ইয়ারি প্রবেশ গ্রাস করা। যুদ্ধ থেকে পলায়ন করা। মুমিনা নারীর প্রতি অপবাদ'। (বুখারি) হাদিসে ঘোষিত এ বিষয়বস্তুগুলি কারিমের উপর তাআলা সুস্পষ্টভাবে উত্তর দিয়েছেন। তাহলো-যুদ্ধের সাথে শিরক শিরক অনেক বড় অপরাধ। হজরত লোকমান তার ছেলেকে শিরক না করতে নিষেধ করেন। আল্লাহ তাআলা-আলাুল কারিমে উল্লেখ করেন যখন লোকমান উপদেশ তার ছেলেকে বলে, হে বৎস! সঙ্গে সতর্ক শরিক করো না। নিশ্চয় নিশ্চিত শরিক শরিক মহা অন্যায়।' (সুরা লোকমান আয়াত ১৩) জাদু করা ইসলামে জাদু অপরাধ। যারা জাদু করে আখেরাতে তাদের কোনো অংশ নেই। মহান আল্লাহ ফুলগুলমে তা সুস্পষ্ট ব্লগারী। আল্লাহ তাআলা বলেন- তারা ভালো মনে করেন, যে কেউ জা অবলম্বন করে, তার পরকালে কোনো অংশ নেই। যার ব্যবহারে তারা আত্মবিক্রয় করেছে, তা মন্দ যদি তারা জানে।' (সুরা বাকারা আয়াত : ১০২) অন্যায়ভাবে প্রয়োগ করা ইসলামে জঘন্য অপরাধ। আর মানুষ মানবতা নিয়ন্ত্রণ শামিল। গুম খুন দেখতে এতটা অপরাধ যে, নিয়ন্ত্রণকারীর উপর থেকে আল্লাহ তালার রহমতের ছায়া সরে যায়। যাতে মানুষ মানবতা শান্তির মতো মহা অন্যায় কাজ থেকে থাকে তার জন্য কেসাসের বিন্যাস করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা- স্বাধীন ব্যক্তি বদলায় স্বতন্ত্র ব্যক্তিকে; দাসে বদলায় দাস, নারী বদলায় নারীকে করা।' (সুরা বাকারা : আয়াত ১৭৮) হাদিসে আসবে, 'কেয়ামতের দিন মানুষের সর্বপ্রথমে যে বিষয়ে ফয়সালা হবে; তাহলো রক্তপাত বাতুট।' (বুরি, কমিউনিটি ও মিকাত) সুদ দেখান-প্রদান ইসলামে আখাত অপরাধ। সুদের সাথে থাকার কারণে মানুষ জাহান্নামি হবে। সুদের কার্যক্রম না করাকে ইসলামের সাথে যুদ্ধ করার শামির বলেছে স্বয়ং আল্লাহ আলা। মনে করে, তারা ব্যক্তি- যারা সুদ খায় কেয়ামতে দাঁড়াবে, যেভাবে দাঁড়াবে ঐ; যাকে শয়তান আসর করে মোহাবিষ্ট করে। তাদের অবস্থা কারণ এই যে, তারা বলেছে, ক্রয়-বিক্রয় তো সুদের মতোই! বিজয় আল্লাহ তাআলা ক্রয়-বিক্রয় আর সুদ হারাম করেছেন। অপর তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে উপদেশ আপনার কাছে পৌঁছেছে এবং সে (সুদ) পুলিশ, আগে যা হয়েছে, তা তার। তার জন্য সতর্কতার উপর নেটওয়ার্ক। আর যারা সুদ, তারাই দোজখেলা হবে। তারা সেখানে স্থায়ী অবস্থান করবে।' (সুরা বাকারা : আয়াত ২৭৫) ইয়াতিমের পাস করা সমাজের সবচেয়ে অসহায় ইয়াতিম। তাদের সুবিধা অন্যায়ভাবে চাপ করা অন্যায়। এ কারণেই আল্লাহ তাআলা ইয়াতীমদের প্রতি উত্তম আচরণ ও তাদের ক্ষমতা হেফাজত করার কথা বলেন। এর ব্যতিক্রম হলে ভোগ করতে হবে কঠিন। আল্লাহ তাআলা বলেন- যারা ইয়াতিমদের অর্থ-সম্পদ অন্যভাবে (দখল করে) খাবে, তারা পেটে আগুনই নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং উচ্চতর তারা জাহান্নামে লক্ষ্য করবে।' (সুরা নিসা : ১০) যুদ্ধের অঞ্চল থেকে এগিয়ে ইসলামে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সরাসরি বিশ্বাসঘাতকতা কাজ। ইসলামে বিশ্বাসঘাতকতা হারাম বা কবিরাহ গোনাহ। জাহান্নাম হিসেবে আখ্যবাদ করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন- হে জ্ঞানদারগণ, তোমরা যখন কাফেরদের সাথে থাকবে, তখন পশ্চাৎপসারণ (পলায়ন) করবে না। আর যারা লোক নিতে তাদের কাছ থেকে পতাৎসরন করবে (অবশ্যই যে লড়াইয়ের কৌশল পরিবর্তনের পরিকল্পনা তার নিজের সৈন্যদের কাছে আসে, সেব্যতীত অন্যরা নিশ্চিত গনের সাথে প্রত্যাবর্তন করবে। আর তার পছন্দ জাহান্নাম। কেত মালিকা নিকৃষ্ট অবস্থান। (সুরা আনফাল : আয়াত ১৫-১৬) মুমিনা নারী প্রতি অপবাদ দেওয়া সতী-সাতী নারীর প্রতি বভিচার অপবাদ ইসলাম হারাম বা কবিরা গোনাহ। দুনিয়াতে অপবাদ অপরাধ অপরাধিত হলে কঠিন শাস্তির পথ। আর পর কালে হচ্ছে কঠিন। আল্লাহ তাআলা বলেন, যারা সতী-ভয়নী নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে অতপর স্বপক্ষে চারজন পুরুষ সাক্ষী উপস্থিত না হয়, তাদের আশিটি বেত্রাঘাত করবে এবং কখনও (কোনো বিষয়ে) তাদের সাক্ষ্য কবুল করবে না। এরাই নাফারমান। কিন্তু যারা তাওবা করে এবং সংশোধিত হয়, আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম মেহেরবান।' (সুরা নূর : আয়াত ৪-৫) আল্লাহ তাআলা সম্প্রদায় উহাকে সুন্নায় ঘোষিত উল্লেখিত সাতটি চটিকারী কাজ থেকে সক্রিয় থাকার তাওফিক দান। আমিন।