006. SURA. AL-ANAM | সুরাঃ আল-আনাম | ডাঃ জাকির নায়েকের কন্ঠে আল কুরআন এর বাংলা অনুবাদ

006. SURA. AL-ANAM | সুরাঃ আল-আনাম | ডাঃ জাকির নায়েকের কন্ঠে আল কুরআন এর বাংলা অনুবাদ

L I K E | C O M M E N T | S H A R E | S U B S C R I B E ‍‌‌‌‌———————————————————    / @comebacktoallah1014   ——————————————————— ================================== জাকির আব্দুল করিম নায়েক (জন্ম: ১৮ অক্টোবর ১৯৬৫; মুম্বাই, ভারত) হলেন একজন ভারতীয় ইসলামি চিন্তাবিদ, ধর্মপ্রচারক, বক্তা ও লেখক যিনি ইসলাম ও তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব বিষয়ে কাজ করেন। তিনি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাতা যেটি পিস টিভি নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে থাকে, যার মাধ্যমে তাঁর বক্তৃতা প্রায় দশ কোটি দর্শকের নিকট পৌঁছে যায়। তাকে "তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বের একজন বিশেষজ্ঞ", "অনুমেয়ভাবে ভারতের সালাফি মতাদর্শের অনুসারী সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি", "টেলিভিশনভিত্তিক-ধর্মপ্রচারণার রকস্টার এবং আধুনিক ইসলামের একজন পৃষ্ঠপোষক" এবং "পৃথিবীর শীর্ষস্থানীয় ইসলাম ধর্মপ্রচারক" বলা হয়ে থাকে। বহু ইসলামি ধর্মপ্রচারকদের সাথে তার ভিন্নতা হল, তার বক্তৃতাগুলো পারস্পারিক আলাপচারিতা ও প্রশ্নোত্তরভিত্তিক, যা তিনি আরবি কিংবা উর্দুতে নয় বরং ইংরেজি ভাষায় প্রদান করেন, এবং অধিকাংশ সময়েই তিনি ঐতিহ্যগত আলখাল্লার পরিবর্তে স্যুট-টাই পরিধান করে থাকেন। পেশাগত জীবনে তিনি একজন ডাক্তার হলেও ১৯৯১ সাল থেকে তিনি ইসলাম ধর্ম প্রচারে মনোনিবেশ করেন। ইসলাম এবং তুলনামূলক ধর্মের উপর তিনি তার বক্তৃতার বহু পুস্তিকা সংস্করণ প্রকাশ করেছেন। যদিও প্রকাশ্যে তিনি ইসলামে শ্রেণীবিভাজনকে অস্বীকার করে থাকেন, তবুও অনেকে তাকে সালাফি মতাদর্শের সমর্থক বলে মনে করেন, এবং অনেকে তাঁকে ওয়াহাবি মতবাদ প্রচারকারী একজন আমূল-সংস্কারবাদী ইসলামিক "টেলিভেগানিস্ট" বা "তহবিল সংগ্রহকারী টেলিভিশন ধর্মপ্রচারক" বলেও মনে করে থাকেন। বর্তমানে ভারত, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশে তার ধর্মপ্রচার নিষিদ্ধ। বলা হয়ে থাকে যে, মুসলিম সম্প্রদায়ের বাইরের তুলনায় এর ভেতরেই তাঁর সমালোচকের সংখ্যা বেশি। ================================== আব্দুল রহমান ইবনে আব্দুল আজিজ আস-সুদাইস‏ ‏‎(জন্মঃ ১৯৬০; রিয়াদ, সৌদি আরব), সাধারণত আব্দুর রহমান আল-সুদাইস  নামে পরিচিত, তিনি হলেন সৌদি আরবে অবস্থিত দুটি পবিত্র মসজিদের (মসজিদ আল-হারামের আর মসজিদ আল-নববী) সভাপতিত্বের প্রধান এবং মক্কার প্রধান মসজিদ আল-হারামের ইমামও। এছাড়াও আল-সুদাইস পবিত্র কোরআনের একজন বিশিষ্ট পাঠক (ক্বারী), মক্কার আরবি ভাষা শিক্ষায়তনের সদস্য এবং দুবাই আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন পুরস্কার (ডিআইএইচকিউএ) আয়োজক কমিটি কর্তৃক নবম বার্ষিক "ইসলামিক ব্যক্তিত্ব বর্ষ" (The "Islamic Personality Of the Year") হিসেবে মনোনীত ব্যক্তিত্ব। আল-সুদাইস সন্ত্রাসবাদ প্রতিহত করার জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উদ্যোগের ব্যবস্থা করেছেন, ইসলাম বিরোধীদের কাছে "বোমা হামলা এবং সন্ত্রাসবাদ" বিষয়ে ভুল ধারণা খন্ডন করেছেন এবং শান্তিপূর্ণ আন্তঃধর্ম সংলাপের আয়োজন করেছেন। আল সুদাইস ১৯৬০ সালে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১২ বছর বয়সে কুরআন মুখস্থ করেছিলেন। আল সুদাইস ১৯৭৯ সালে এবং ১৯৮৩ সালে রিয়াদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক করেন, যেখানে তিনি প্রথম ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৮৭ সালে তিনি মাস্টার্স শেষ করেন ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সৌদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং ১৯৯৫ সালে তিনি ইসলামী শরীয়াতে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ে, যখন তিনি ওখানে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কাজে নিয়ত ছিলেন। তার প্রথম চাকরি ছিল রিয়াদ বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক এবং তারপর উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়। যখন তিনি কাবার ইমাম নির্বাচিত হন তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২৪ বছর। সালের জুলাই মাসে যখন তিনি মসজিদ আল হারামে প্রথম খুতবা দেন তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২৪ বছর। আল সুদাইস বিশ্বাস করেন যে, কাবার ইমাম হওয়া শুধু তার মায়ের কারণে। এটি উল্লেখ করা হয়েছে যে ইমাম আবদুর রহমান আল-সুদাইসের মা শৈশবে তাকে দুআ করতেন এই বলে যে,হে "আল্লাহ আমার ছেলে কে হারামাইনের ইমাম করুন।" ২০১২ সালে, তাকে সৌদি আরবের উভয় পবিত্র মসজিদের প্রেসিডেন্সির প্রধান হিসেবে নিযুক্ত করায় মন্ত্রীর পদমর্যাদা দেওয়া হয়। আবদুল রহমান আল-সুদাইস তার হৃদয় স্পর্শকারী কুরআন তেলাওয়াতের জন্য বিখ্যাত। ================================== আনোয়ার শাহী জাকির নায়েকের লেকচারের বাংলা ডাবিংয়ে যিনি কণ্ঠ দেন তিনি হলেন বিখ্যাত ডাবিং শিল্পী আনোয়ান শাহী। উইকিপিডিয়ায় ‘পিস টিভি বাংলা’ প্রবন্ধে ওই চ্যানেল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া আছে। সেখানে বক্তাদের তালিকায় ১ নম্বরে ইসলামি রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সভাপতি (আইআরএফ) জাকির নায়েকের নাম লেখা আছে। বন্ধনীর মাঝে লেখা আছে বাংলায় ডাবিং কণ্ঠদাতা আনোয়ার শাহী। আনোয়ার শাহী একজন বিখ্যাত বাংলা ডাবিং শিল্পী। বিবিসি বাংলা ডাবিং শিল্পীদের নিয়ে করা এক প্রতিবেদনে বলেছে, প্রায় দুই হাজারের বেশি সিনেমায় ডাবিং করেছেন আনোয়ার শাহী। শুধু আনোয়ার শাহীর ওপরই আলাদা আরেকটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিবিসি বাংলা। ওই প্রতিবেদনে আনোয়ার শাহী সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়। বিখ্যাত এই ডাবিং শিল্পীর জন্ম রাজশাহী জেলায়। বেড়ে ওঠাও সেখানেই। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের তুমুল শখ ছিলো। শখের বসেই অল্প বয়সে যুক্ত হন মঞ্চ নাটকের সঙ্গে। অভিনয়ের স্বপ্ন থাকলেও আজ তিনি ডাবিং বা বাচিক শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। আনোয়ার শাহীর আসল নাম আনোয়ার হোসেন। মঞ্চে যখন তার নাম ঘোষণা করা হতো তখন দর্শকরা ভাবতেন কিংবদন্তি নায়ক আনোয়ার হোসেন আসছে। বিষয়টি বিব্রতকর হওয়ার নিজের নাম বদলে রাখেন আনোয়ার শাহী। জাকির নায়েকের বাংলা ডাবিংয়ে কণ্ঠ দেওয়া ছাড়াও কাবা শরিফের ইমাম আবদুর রহমান আস-সুদাইসির তেলাওয়াতের বাংলা অনুবাদে কণ্ঠ দিয়েছেন এই গুণী শিল্পী।