এবার কী তাহলে সেই আশঙ্কাই সত্যি হতে চলেছে? তা না হলে যুদ্ধের চারদিনের মাথায় কেন রুশ প্রেসিডেন্টের গলায় এই হুঁশিয়ারি? ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করছে রাশিয়া, অর্থ বা ক্ষমতার দিক থেকে রাশিয়ার সঙ্গে তুলনাই চলে না ইউক্রেনের..কিন্তু ইউক্রেনবাসী দেশকে বাঁচাতে সব ভুলে হাতে তুলে নিয়েছেন অস্ত্র...যতদিন দেহে আছে প্রাণ..ততদিন জন্মভূমিকে বাঁচাতে প্রাণপণ লড়াই করে যাবেন তাঁরা..কিন্তু এই সবের মধ্যেই নতুন করে যে হুঁশিয়ারি শোনালেন ভ্লাদিমির পুতিন..তাতে যুদ্ধের আর কতটা প্রয়োজন রয়েছে তাই নিয়েই শঙ্কা দেখা দিয়েছে..কারণ এবার তো আর হাতে যুদ্ধ নয়.. রাসায়নি বোমার সঙ্গে যুদ্ধ করে কেই বা কবে জিততে পেরেছে...৭৬ বছর ধরে দুঃস্বপ্নের স্মৃতি বইছে হিরোসিমা-নাগাসাকি, এখনও দগদগে পরমাণু হামলার ক্ষত..তাহলে কী সেরকমই কিছু ইঙ্গিত দিলেন পুতিন? পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করবে রাশিয়া? এবার রাশিয়ার পরমাণু অস্ত্র গুলিকে হাই এলার্ট জারি করলেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ইউক্রেনের পক্ষে পশ্চিমী জোটের উস্কানিমূলক আচরণকে এর জন্য দায়ী করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। রবিবার এক প্রেস বিবৃতিতে পুতিন জানান, "আমি প্রতিরক্ষামন্ত্রী সেনাপ্রধানকে নির্দেশ দিয়েছি দেশের সমস্ত পরমাণু অস্ত্রকে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে অন্য প্রস্তুত করার জন্য।" পুতিনের এই বিবৃতির পর রীতিমতো শোরগোল পড়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে। গত বৃহস্পতিবার, পুতিনের নির্দেশেই ইউক্রেন আক্রমণ করেন রাশিয়া। এই ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে আন্তর্জাতিক মহলে। চেরনোবিল, খারকিভ সহ একের পর এক শহর দখল করে মাত্র দুদিনে রাজধানী কিয়েভের বুকে পা রাখে রুশ সেনা। দু'পক্ষের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে চলছে গত চারদিন ধরে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমী দুনিয়ার দেশগুলি শত্রুর মতো আচরণ করছে, এই অভিযোগ তুলে এ দিন নিজের সামরিক বাহিনীর প্রধানদের দেশের পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারকারী বাহিনীকে তৈরি রাখার নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেন্ট৷। পুতিন আরও বলেন, গ্রাফিক্স ইন " আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন কিভাবে পশ্চিমী শক্তি রাশিয়ার বিরুদ্ধে অনৈতিকভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। শুধু তাই নয় নেটোর উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরাও সব সময় রাশিয়ার বিরুদ্ধে বিষোদগার করে এসেছে।" তাহলে কি হতে পারে হিরোসিমার পুনরাবৃত্তি? হিরোশিমা-নাগাসাকির ধ্বংসলীলার স্মৃতি আজও ভুলতে পারেনি গোটা বিশ্ব! ১৯৪৫ সালের ৬ অগাস্ট মার্কিন বিমান বাহিনী জাপানের হিরোশিমা শহরের ওপর লিটল বয় নামের পরমাণু বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়! এর তিন দিন পর নাগাসাকি শহরের ওপর ফ্যাট ম্যান নামের আরেকটি পরমাণু বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় আমেরিকা। অনুমান , হিরোশিমাতে মৃত্যু হয়েছিল প্রায় ১৪০,০০০ বাসিন্দার, নাগাসাকিতে প্রাণ হারান প্রায় ৭৪,০০০ মানুষ। পরবর্তীতে এই দুই শহরে বোমার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান আরও ২১৪,০০০ জন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের এক মর্মান্তিক পরিসমাপ্তির নাম- হিরোসিমা এবং নাগাসাকি। জাপানের এই দুই শহরের ওপর যে আঘাত নেমে এসেছিল সেই ক্ষত আজও দগদগে। ৬ এবং ৯ অগাস্ট এই দু'দিন প্রতি বছর আসলেই সেই স্মৃতিই ঘুরে ফিরে আসে। ৭৬ বছরের ইতিহাসেও সেই রেশ রয়ে গিয়েছে। এখনও পারমানবিক বোমায় ধ্বংসের বিভিন্ন নিদর্শন নাগাসাকির বেশ কিছু অঞ্চলে ছড়ানো ছিটানো রয়েছে। কিন্তু আমেরিকার সেই বোমার থেকেও আরও ভয়ানক পরমাণু বোমা মজুত রয়েছে রাশিয়ার জিম্মায়! হিরোশিমা-নাগাসাকির পরমাণু বোমার থেকে ৩,৩৩৩ গুণ বেশি মারাত্মক, বিধ্বংসী হাইড্রোজেন বোমা রয়েছে রাশিয়ার কবলে! এতদিন পর্যন্ত অবশ্য সে'খবর গোপনেই ছিল, সম্প্রতী সেই খবর জানাজানি হয়েছে...বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী হাইড্রোজেন বোমার মালিক রাশিয়া! নিমেষে একটা সভ্যতাকে গুড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে সেই বোমা! ১৯৬১ সালের ৩০ অক্টোবর 'জার বোম্বা' নামে সেই হাইড্রোজেন বোমার পরীক্ষা করেছিল রাশিয়া, এবার ইউক্রেন দখল করতে মরিয়া রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট যেভাবে পরমাণু অস্ত্র গুলিকে হাই এলার্ট জারি করার নির্দেশ দিলেন..তাতে আশঙ্কা করা হচ্ছে পৃথিবীর বুকে আবার না ঘটে যায় হিরোসিমা-নাগাসাকির মতো কোনও ঘটনা Russian President Vladimir Putin ordered his defence chiefs to put the country's nuclear "deterrence forces" on high alert. This order comes amid ongoing Russian invasion of Ukraine which has already claimed 350 lives as per official figures. Putin’s order causes further alarm and if nukes are used then it will have devastating effects on the human civilization. #Russia #Ukraine #RussiaUkraineWar #RussiaUkraineConflict #RussiaUkraineTalks #Belarus #StopWar #SayNoToWar #SayYesToPeace #VladimirPutin #VolodymyrZelenskyy #WarHitUkraine #International #WarBreaking #WarLatestNews #RussiaUkraineMeeting #PutinNukeWarning #PutinNuclearWarheadsHighAlert