Chapter in this Video 0:00 Channel Intro 0:20 Video Intro 0:48 JNIMS 5:28 Outro Credit Panel :- Stock footage provided by Videvo, downloaded from https://www.videvo.net Stock footage provided by Pixels, download from https://www.pexels.com Stock footage provided by Pixabay, download from https://pixabay.com Stock footage provided by Videezy, download from https://videezy.com AUFT's Facebook Page : / auft52 This Video Is Based Upon Our Internet Research, It May Not Be 100% Correct. All the Video Footage are belongs to their owners, we used it only for editing purpose. For any kind of copyright issue please contact us. Copyright Disclaimer Under Section 107 of the Copyright Act 1976, allowance is made for 'Fair Use' for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research, Fair use is a permitted by copyright statute that might otherwise be infringing, Non-profit, educational or personal use tips the balance in favor of fair use Thanks for Watching ❤️ Stay Curious Stay Fascinated Know the Unknowns Ignore Keywords : horror movie, ghost, bhoot, horror game, ghost game, bloody mary, mayajaal, bhuter golpo, bhyankar bhoot,bhoot game, ghost game, ghost movie, ভুত, ভূত, haunting bangla, horror games, horror, horror video, vuter game, bhuter game, the nun, horor story, ভূতের ছবি, ভুতের গল্প সাধারণত আমরা জানি, হাসপাতালে মানুষের প্রান বাঁচানো হয়, কিন্তু আজকে যে হাসপাতালের কথা বলব সেটা হাসপাতাল কিছুটা ব্যাতিক্রম। এই হাসপাতালে প্রবেশ করলে আপনার মেরুদণ্ড দিয়ে একটি ঠান্ডা স্রোত বয়ে যাবে, এখানের পরিবেশ এতটাই গা ছমছমে। হাসপাতালটি তার বিস্ময়কর পরিবেশের জন্য সুপরিচিত এবং ভারতের সবচেয়ে ভুতুড়ে স্থানগুলির মধ্যে একটি হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেছে। আজকের ভিডিওতে এই ভৌতিক হাসপাতাল সম্বন্ধে কিছু তথ্য আপনাদের জানাবো। হাসপাতালটির নাম হলJNIMS (জওহরলাল নেহরু ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস) । যেটি ভারতের মণিপুরের রাজধানী শহর ইম্ফলে অবস্থিত। হাসপাতালটি মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সামরিক হাসপাতাল হিসেবে নির্মিত হয়েছিল এবং গুজব রয়েছে যে এখানে অনেক সৈন্য প্রাণ হারিয়েছিল। পরে, এটি একটি সরকারি হাসপাতালে রূপান্তরিত হয় এবং কয়েক দশক ধরে এই হাসপাতাল রোগীদের সেবা দান করে আসছে। তবে এই হাসপাতাল নিয়ে নানা ভৌতিক কাহিনী লোকমুখে ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি হাসপাতাল চত্বরে অলৌকিক কার্যকলাপের একাধিক রিপোর্ট পাওয়া গেছে। সবচেয়ে সাধারণ ঘটনাগুলির মধ্যে একটি হল এখানের করিডোর এবং বিভিন্ন জায়গায় হঠাৎ হঠাৎই পায়ের শব্দ এবং অদ্ভুত ধরনের কণ্ঠস্বর শোনা যায় ,কিন্তু সেই মুহুর্তে আশেপাশে কোন জীবন্ত প্রাণী থাকে না। রোগী এবং হাসপাতালের কর্মীরা করিডোর এবং হাসপাতালের ঘরগুলি থেকে বহু বার ছায়া সরে যাওয়ার দৃশ্য লক্ষ্য করেছেন। বেশ কিছু বছর আগে এখানে একজন নার্সের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা শোনা যায়। রাত্রে বেলা এই হাসপাতালের Gynecology department এবং এর কাছের washroom এবং corridor একেবারে নিরাপদ নয়। সদ্য চাকরিতে join করা একজন nurse এর Gynecology department এ night shift duty ছিল । রাতের বেলা সে একজন রোগীকে দেখছিল এবং হঠাৎই করিডোর থেকে কান্না আওয়াজ ভেসে আসতে থাকে। সে এগিয়ে গিয়ে দেখার চেষ্টা করে কে কাঁদছে? কিন্তু কাউকেই সেখানে দেখতে পায় না। এরপর যখন সে ward এ ফিরে আসার জন্য পিছনে ঘোরে তখন দেখতে পায় একজন মহিলা দেয়ালের দিকে মুখ ঘুরিয়ে আঁকিবুঁকি কাটছে এবং বলছে, "আমার সাথে এটা ঠিক হয়নি"। এই দৃশ্য দেখে ভয়ে নার্সটি রক্তশূন্য হয়ে যায়। এরপর যখন সে সাহস নিয়ে একটু এগিয়ে যায় তখন ঐ মহিলা উঠে ঘুরে দাঁড়ায়। সে দেখে মহিলার চেহারা বীভৎস, নাক মুখ থেকে রক্ত ঝরছে, হাতে একজন সদ্যোজাত মৃত বাচ্চা এবং মহিলাটি বলে যাচ্ছে আমার সাথে এটা ঠিক হয়নি "। এই দৃশ্য আর সহ্য করতে না পেরে নার্স ভয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। এরপর জ্ঞান ফিরলে যখন সে হাসপাতালের অন্য নার্সদের আগের রাতের ঘটনার বর্ণনা দেয়, কেউ তার কথা বিশ্বাস করে না। কিন্তু একজন সিনিয়র নার্স সমস্ত ঘটনা বিশ্বাস করে এবং এর সাথে জড়িত 20 বছর আগের একটি দুঘর্টনার কথা বলে। 20 আগে একজন মহিলা সন্তান প্রসবের জন্য এই হাসপাতালে ভর্তি হন। তার অবস্থা ভীষন serious হয়ে যায়,ডাক্তার বলে মা এবং বাচ্চা দুজনের মধ্যে একজনকে বাঁচানো যাবে। মহিলার বাড়ির লোক বাচ্চাকে বাঁচাতে বলে। কিন্তু অপারেশনে মা এবং বাচ্চা দুজনেই প্রান হারায়। আর সেদিন সন্ধ্যায় ঐ মহিলার বাড়িতে হঠাৎই আগুন লেগে যায় এবং পরিবারের সবাই মারা যায়। এই ঘটনার পর থেকে jnims হাসপাতালে সদ্যোজাতকে কোলে নিয়ে ঐ মহিলার আত্মাকে করিডোরে বসে থাকতে অনেকেই দেখেছ। হাসপাতালটিকে রাতে বিশেষ করে ভয়ঙ্কর বলা হয়, অনেক লোক সন্ধের অন্ধকারের পরে এখানে প্রবেশ করতে ভয় পায়। শোনা যায় বেশ কিছু অব্যক্ত ঘটনার কারণে হাসপাতালের কিছু এলাকা সিল করে দেওয়া হয়েছে।