Br Rahul new waz 2022 Rajshahi ব্রাদার রাহুল নতুন ওয়াজ রাজশাহী #brrahulhossain #debate #waz ব্রাদার রাহুল হোসেন (রুহুল আমিন),ব্রাদার রাহুল হোসেন,ব্রাদার রাহুল হোসেন বাহাস,ব্রাদার রাহুল ওয়াজ,ব্রাদার রাহুল বাহাস,ব্রাদার রাহুল হোসেন বনাম নাস্তিক,ব্রাদার রাহুল হোসাইন,ব্রাদার রাহুল হোসেন রুহুল আমিন,br rahul hossain,brother rahul,brother rahul hossain,brother rahul bangla waz,brother rahul hossain debate,brother rahul debate,brother rahul hossain waz,brother ruhul amin waz 2022,br rahul hossain new waz 2022,new waz 2022,waz mahfil 2022,bangla waz 2022 #rahulhossain #brother #rahul #new wazz #2022 দার রাহুল হচ্ছে বিস্ময়ঃ ব্রাদার রাহুল হোসাইন রুহুল আমিন। ডাকনাম: ব্রাদার রুহুল। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদ যেলার জলঙ্গী গ্রামে ১৯৯২ সালে জন্ম। পিতা বিমল দাশ (হিন্দু)পরবর্তীতে ইসলাম গ্রহন করেন, নাম: বেলায়েত হোসেন।২০১৩ সালে ইসলাম গ্রহন করেন। ২০১৬ সালে নদীয়া যেলার কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতক (বিএ) সম্পন্ন করেন।গ্রামের অধিকাংশ মুসলমান ব্রেলভী আক্বীদার। নববই শতাংশ হিন্দুর দেশ ভারতে অধিকাংশ মুসলমানের আক্বীদা-আমলের সাথে হিন্দু সংস্কৃতি আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে আছে। ব্রাদার রাহুল, মুসলিম ও বাংলাভাষী মুসলিমদের মধ্যে একটা বিস্ময় ও মুসলিম জাতির সম্পদ। তিনি পশ্চিম বংগে গ্রাজুয়েট আর জেনারেল ব্যাকগ্রাউন্ডের মানুষ। সম্ববত ২০১৩ সালে তিনি প্রথম জুমার সালাত আদায় করেন। তারপর শুধু ইতিহাস আর ব্রাদার রাহুলের আগায়ে চলা। ব্রাদার রাহুল,পশ্চিম বংগ,ভারত। গত কয়েক বছরে তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সাথে তুলনামূলক বিতর্কে অংশগ্রহণ করে বেশ সাড়া জাগিয়েছেন। এছাড়া অনলাইনে রয়েছে তার সরব পদচারণা। ইসলামের নামে প্রচলিত ভ্রান্ত আক্বীদাসমূহের প্রচারকদের সাথেও তিনি বিতর্কে অংশগ্রহণ করে থাকেন। তরুণ বয়সেই দ্বীন প্রচারে তার সাহসী ও আত্মবিশ্বাসী ভূমিকা যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে বিভিন্ন জালসা ও ওয়ায মাহফিলে তিনি এখন নিয়মিত অংশগ্রহণ করে থাকেন। বাংলায় ধর্মীয় বই, ভিডিও ও হাদীসের বিশ্লেষনঃ ইসলাম সম্পর্কে Youtube-এ বিভিন্ন জনের ভিডিও আছে। কিন্তু এই সমস্ক ভিডিওতে অনেক ভুল বক্তব্য আছে। ব্রাদার রাহুলের বক্তব্য থেকে আপনি সহজেই সেই ভুল বের করে নিতে পারবেন। একই ভাবে ভারত-বাংলাদেশে ইসলামের উপর অনেক বাংলা বই বিভিন্ন প্রকাশনী বের করছে। সেই বইগুলো লেখক কোথায় কি ভুল করেছেন, সেটা আপনি,ব্রাদার রাহুলের ভিডিও থেকে বুঝতে পারবেন। উপমহাদেশে এই ব্যাপারে এত ব্যাপক গবেষনা, ব্রাদার রাহুল ছাড়া আর কারো নাই । একই অবস্থা সহীহ/জয়ীফ হাদীসের জন্য প্রজোয্য। ভারত/বাংলাদেশের অনেক নাম করা আলেম জানেনা,এই হাদীস জয়ীফ। আলেম তো সহীহ হাদীস মনে করে, বক্তব্য দিচ্ছেন। ফলে ঈমান/আমলে ভুল হচ্ছে, বাড়ছে ফিৎনা। ব্রাদার রাহুলের মাধ্যমে আপনি, সেই ফিৎনা থেকে রক্ষা পেতে পারেন। আসলে বিতর্কের জন্য সম্পূর্ন উপযুক্ত ব্রাদার রাহুল। হাদীসের জন্য বাংলাদেশের সেরা মুজাফফর বিন মহসিন আর আসাদুল্লা আল-গালিব। মানুষের ভুল থাকতেই পারে। তবে ব্রাদার রাহুল,মুজাফফর বিন মহসিন আর আসাদুল্লাহ আল-গালিবের ভুল নাই বল্লেই চলে। ব্রাদার রাহুল জাকির নায়েক থেকে প্রভাবিতঃ ২০১২ সালে যখন আমার মনে এমন চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছিল তখনই ডাঃ যাকির নায়েক সম্পর্কে তিনি জানেন। তাঁর ‘কুরআন এন্ড মডার্ন সায়েন্স’ বক্তব্যটি শুনার পরে,তাঁর অন্যান্য প্রায় সকল বক্তব্য শুনেন। ‘ব্রাদার’ লক্বব কেনঃ ‘ব্রাদার’ লক্ববটি ইন্ডিয়াতে যথেষ্ট ব্যবহৃত হয়। জেনারেল শিক্ষিত যারা ডা. জাকির নায়েকের ধর্মপ্রচারে অনুপ্রাণিত হয়ে দ্বীনের খেদমতে আত্মনিয়োগ করেছেন, তারা অনেকেই ‘ব্রাদার’ লকব ব্যবহার করেন। মাদ্রাসার প্রথাগত শিক্ষালাভ না করা এমন প্রায় দশ বা ততধিক দাঈ ভারতে রয়েছেন। যেমন- হায়দারাবাদে আছেন ব্রাদার ইমরান, কেরালায় ব্রাদার এম এন আকবার। আবার ব্রাদার সিরাজুর রহমান ও ব্রাদার শাফী রয়েছেন যারা যথাক্রমে তেলেগু ও মালালায়ম ভাষায় কাজ করেন। এছাড়া আরও রয়েছেন ব্রাদার নাছিরুদ্দীন ইবনু মঈনুদ্দীন, এ্যাডভোকেট ফায়েয সাহেব প্রমুখ। ব্রাদারা রাহুলের ধর্মীয় পড়া-শুনাঃ ব্রাদার রাহুল হিন্দু ধর্মের চার খানা বেদ, আঠারটি উপনিষদ, আঠারটি পুরাণ, মনুসংহিতাসহ এগুলোর ব্যাখ্যাগ্রন্থ তিনি পড়েছেন।।খৃষ্টানদের বাইবেলও পড়েছেন। কুরআন পড়ার আগে তিনি হিন্দু ও খিস্টানদের ধর্মগ্রন্থই প্রথমে পড়েছেন। বাংলা ভাষায় কুরআনের অনুবাদ আছে,এটা তিনি জানতেন না। ব্রাদার রাহুলের ফোন বিতর্কঃ বাংলাদেশের অনেক আলেমের সাথেও রাহুলের ফোন-বিতর্ক হয়েছে। যেমন লূৎফর রহমান ফরায়েযী, রেযওয়ান রফিকী,নাস্তিক মুফাস্সিল ইসলাম, আসিফ মুহীউদ্দীন, আব্দুল্লাহ মাসউদ ইত্যাদি। সম্মিলিত মুনাজাতে ব্রাদার রাহুলঃ সম্মিলিত দো‘আর ব্যাপারে বিভিন্ন জায়গায় মুনাযারা হয়। এমনকি প্রখ্যাত হানাফী পন্ডিত আনোয়ার শাহ কাশ্মীরী এটিকে নাজায়েয বলে ফৎওয়া দিয়েছেন।কুরআন বা সহীহ হাদীসের কোথাও সম্মিলিত দোয়ার কোন উদাহরন নাই। সুতরাং এ বিষয়ে বিরোধীদেরই বিতর্কের সুযোগ নেই। সালাফী মানহাজ সম্পর্কে ব্রাদার রাহুলঃ আক্বীদার বিষয়ে বলতে গেলে সালাফী মানহাজ সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। পরবর্তীতে সৃষ্ট সমস্ত মত ও মাযহাব বাতিল। যেমন ব্রেলভী বা দেওবন্দী আক্বীদা যদি সঠিক হত সালাফী আক্বীদার উপরে সালাফদের অসংখ্য গ্রন্থ আছে। যেমন ইমাম খুযায়মার ‘আত-তাওহীদ’ আছে। জাহামিয়াদের বিপক্ষে ‘কিতাবুত তাওহীদ’ ছহীহ বুখারীতে মওজুদ আছে। অতএব এগুলো প্রমাণ করে যে, সালাফরা আক্বীদার বিষয়গুলোকে আগে থেকেই পরিস্কার করে রেখেছেন। ব্রাদার রাহুলের মাত্র শুরুঃ ব্রাদার রাহুল লিখিত কিছু বইঃ ১। সালাফদের দৃষ্টিতে রফ’উল ইয়াদাইন কি মানসুখ? ২। আহলে হাদিস ও হানাফি মাযহাবের ইখতিলাফ ও তার নিরসন ৩। তাক্বলীদ বিভ্রান্তি নিরশন ৪। নেক আ’মাল ও তার ফাযীলাত (নেক আ’মালের চমৎকার ঘটনাপুঞ্জের সমাহার) ৫। মৃত ব্যক্তির জন্য জীবিতদের করণীয় ও বর্জনীয়