কেমন ছিলেন  আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহি:) এবং নেটে আলেমদের গালাগালি  বা চরিত্র হনন  প্রসঙ্গে বললেন ।।

কেমন ছিলেন আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহি:) এবং নেটে আলেমদের গালাগালি বা চরিত্র হনন প্রসঙ্গে বললেন ।।

কেমন ছিলেন আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহি:) এবং নেটে আলেমদের গালাগালি বা চরিত্র হনন প্রসঙ্গে বললেন ।। ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহিমাহুল্লাহ ছিলেন বহুমুখী জ্ঞানের অধিকারী প্রফেসর ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহিমাহুল্লাহ ছিলেন বহুমুখী জ্ঞানের অধিকারী এবং সমাজ সচেতন আলিম। দীনি আলোচনার মধ্যে তিনি প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন আধুনিক বিষয় তুলে ধরতেন। তিনি যে বিষয়ই আলোচনা করতেন, মনে হত তিনি সে বিষয়েই বিশেষজ্ঞ পণ্ডিত। তিনি সত্য বলার ক্ষেত্রে কখনোই পাশ কাটানোর চেষ্টা করেন নি, সেটা তাঁর নিজের বিরুদ্ধে গেলেও। কারণ তিনি অনুসরণের চেষ্টা করতেন কুরআনের এই আয়াতটিকে, যেখানে বলা হয়েছে: وَإِذَا قُلْتُمْ فَاعْدِلُوا وَلَوْ كَانَ ذَا قُرْبَى যখন তোমরা কথা বলবে, ন্যায্য বলবে। স্বজনদের সম্পর্কে বললেও।((আল কুরআন, সূরা আনআম ৬:১৫২।)) আমাদের ভিডিও গুলো খুবই শিক্ষণীয়।. এই ভিডিও গুলোর মাধ্যমে আমি সুন্দর মেসেজ দিতে চাই আপনাদের মাঝে। তাই দয়া করে আমাদের চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করে, বেল আইকনে ক্লিক করুন। প্রত্যেকটি ভিডিওতে কোনো না কোনো একটি মেসেজ থাকে। আপনাদের সার্পোট পেলে আমরা এই চ্যানেলটি নিয়ে অনেক ভালো কিছু করতে চাই। সেজন্য অবশ্যই আমি কিছু প্রজেক্ট লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে রেখেছি, চাই আপনাদের একান্ত ভালোবাসা এবং সাপোর্ট। সৌদি আরবের ইমাম সউদ ইউনিভার্সিটির একজন শিক্ষার্থী দ্বিতীয় সেমিস্টারে পুরো ফ্যাকাল্টিতে ফার্স্ট হলেন। আরব দেশের এক বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন নন-আরব ফার্স্ট হলেন, এটা যেনো চমক লাগানো সংবাদ। সাংবাদিক সাক্ষাৎকার নেবার জন্য ছুটলেন সেই ছাত্রের কাছে। সাক্ষাৎকারটি পরদিন ছাপা হয় রিয়াদের সেরা দৈনিক ‘আর-রিয়াদ’ পত্রিকায়। সেই ছাত্রের গড় নাম্বার ছিলো ৯৭, চারটি বিষয়ে পেয়েছিলেন ১০০ তে একশো। ইমাম সউদের সেই কৃতি ছাত্র হলেন ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ)। ১৯৮৬ সালে তিনি ইমাম সউদ ইউনিভার্সিটি থেকে লিস্যান্স, ১৯৯২ সালে মাস্টার্স, ১৯৯৮ সালে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। তিনিই প্রথম বাংলাদেশী, যিনি এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। চূড়ান্ত পরীক্ষায় গড়ে ৯৬ মার্ক পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম স্থান অধিকার করেন। পরপর দুইবার বাদশাহ আযিযের কাছ থেকে সেরা ছাত্রের পুরস্কার গ্রহণ করেন। তাঁর জীবনী-লেখক তাঁকে পরামর্শ দিলেন, “সৌদিতে সম্পূর্ণ সময়টা পড়ালেখা করেই কাটালেন, ব্যাংক-ব্যালেন্স বলতে কিছুই নেই। কিছুদিন সৌদিতে থেকে অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল হয়ে দেশে গেলে হয় না?” দৃঢ় প্রতিজ্ঞ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহি:) বললেন: “পিএইচডি শেষ করে দেশে যাবো বলে আল্লাহর সাথে আমি ওয়াদা করেছি। আলহামদুলিল্লাহ, সবকিছু দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ হলো। আমি আল্লাহর সাথে কৃত আমার ওয়াদা রক্ষা করতে চাই।” পড়ালেখার সুবাদে প্রায় ১৭ বছর থেকেছেন সৌদি আরব। ১৯৯৮ সালে যখন দেশে ফিরবেন, নিশ্চয়ই অনেক শপিং করবেন, কাপড় কিনবেন, সৌদি আরব থেকে আতর থেকে শুরু করে এমনসব জিনিস কিনবেন, যেগুলো সাধারণত দেশে গেলে পাওয়া যায় না। কিন্তু, না। তাঁর দুশ্চিন্তা হলো, এই ১৭ বছরে যেসব বই তিনি পড়েছেন, সংগ্রহ করেছেন, সেগুলো তো দেশে গেলে পাওয়া যাবে না। সেগুলো দেশে নিয়ে যাবেন কিভাবে? বিমানে একজন মানুষ তো সর্বোচ্চ ২৫-৩০ কেজির পণ্য নিতে পারে। তাঁর বইগুলোর ওজন তো এর ১০০ গুণ বেশি। তিনি বইগুলো দেশে নিয়ে যাবার জন্য কার্টুনে ভরে ট্রান্সপোর্টে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করলেন। প্রায় ১০০ টি কার্টুনে ৩৫০০ কেজি বই! দীর্গ ১৭ বছরের সম্বল আত্মস্থ ইলম এবং ৩৫০০ কেজি ওজনের বই নিয়ে ১৯৯৮ সালে ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহি:) দেশের মাটিতে পা রাখেন। তাঁর সামনে সুযোগ ছিলো নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থেকে উজ্জ্বল ঈর্ষণীয় ক্যারিয়ার গড়ার। কিন্তু, নিজের ঘর অন্ধকার রেখে আলোর দাওয়াত নিয়ে পাশের গ্রামে তিনি যেতে চাননি। ফিরে আসেন নিজের শিকড়ে। কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ, এই অঞ্চল দুটোকে মানুষ চিনে লালন ফকির আর পাগলা কানাই ফকিরের এলাকা বলে। শিরক, বিদ’আত, কুসংস্কার আর বাউল ফকিরদের তীর্থস্থান এই অঞ্চল। এরকম একটা এলাকায় জন্মগ্রহণ করে, এলাকার অধঃপতন দেখে কিভাবে ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহি:) বিদেশে এসির রুমে বসে দ্বীন কায়েমের স্বপ্ন দেখবেন? বাংলাদেশের জেনারেল শিক্ষিতরা দীর্ঘদিন ধরে যেমন একজন আলেমকে খুঁজছিলো, যিনি তাদের মনের দুঃখ বুঝবেন, তাদের বিষয়গুলো তাদের মতো করে বুঝবেন, তেমনটা খুঁজে পেলো ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যারের মধ্যে। ভালো বক্তা এবং ভালো লেখক; এই দুই গুণ বেশিরভাগের থাকে না। কেউ ভালো বক্তা, তো কেউ ভালো লেখক। আল্লাহ ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যারকে এই দুটো গুণ দান করেছিলেন। আল্লাহ তাঁর খেদমত কবুল করুন। এর বিনিময়ে তাঁকে জান্নাতুল ফিরদউস দান করুন। আপনাদের পছন্দের ভিডিও রিকুয়েস্ট থাকলে আমাদের জানাতে পারেন। আমাদের বাকি ভিডিও গুলো দেখতে পারেন, আশা করি আপনার উপকারে আসবে বিয়ে নিয়ে আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যার এর অসাধারণ কথা।। সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন।    • বিয়ে নিয়ে আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যার এর অস...   South Asian Fertility Rate Research।। বাংলাদেশ এর সন্তান জন্ম দানের হার।। ১৯৬০- ২০১৯ ডাটা    • South Asian Fertility Rate  Research।। বাং...   Heart Touching Quran Recitation।। Best Quran Recitation।। মন ছুঁয়ে যাওয়ানো কুরআন তেলাওয়াত ।। Bangla    • Heart Touching Quran Recitation।। Best Qur...   Google Translate, this trick 98% of people don't know. The time hacking student/teacher/freelancers.    • Google Translate, this trick 98% of people...   Google Docs। Translate Documents।100% workable শুধুমাত্র এক ক্লিকেই, এখনি দেখে নিন।    • Google Docs। Translate Documents।100% work...   Facebook ID:https://web.facebook.com/hbelal320 LinkedIn ID:https://www.linkedin.com/in/belalinbd/