এখন সারা দেশ থেকে সংগ্রহ করতে পারেন সৌদি খেজুর চারা। পাওয়া যাচ্ছে হালাল স্টোরে। মরুভূমির খেজুর চলনবিলের কাদামাটিতে ফলিয়েছেন আবদুল জলিল। এরই মধ্যে গাছগুলোতে ফল আসতে শুরু করেছে। যাকে বিস্ময়কর হিসেবে উল্লেখ করেছেন উপজেলা কৃষি অফিসার। আবদুল জলিল পাবনার চাটমোহর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল হান্ডিয়াল ইউনিয়নের বল্লভপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক। তিনি মরিয়ম জাতের বীজ এনে খেজুরের আবাদ করেছেন। বিশ্বাস, আবেগ আর ধৈর্যকে কাজে লাগিয়ে অসম্ভব কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিলেন তিনি। প্রতিদিন খেজুর দেখতে শত শত মানুষ ভিড় জমাচ্ছে তাঁর বাড়িতে। তিনি চাটমোহরসহ পুরো চলনবিল এলাকায় খেজুর চাষ ছড়িয়ে দিতে চান। উপজেলা কৃষি অফিসার হাসান রশীদ হোসাইনী বলেন, চলনবিল এলাকায় এই প্রথম কোনো ব্যক্তি সৌদি খেজুর চাষ করছেন। এরই মধ্যে গাছগুলোতে ফল আসতে শুরু করেছে, যা সত্যিই বিস্ময়কর। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে তাঁকে সব রকমের সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।