মরিচ দিয়ে মজার চা, সাথে ১৬ রকমের চা টি.এস.সি তে I কি ভাবে বানায় দেখে নিন I Mojar Mojar cha TSC ty

মরিচ দিয়ে মজার চা, সাথে ১৬ রকমের চা টি.এস.সি তে I কি ভাবে বানায় দেখে নিন I Mojar Mojar cha TSC ty

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অঞ্চলে কিছুদিন পরপরই নিত্য নতুন রকমের চা এসে হাজির হয়। লেবু বা মাল্টা তো ছিলই গত কয়েক বছরে চায়ের মাঝে কখনো তেঁতুল, কখনো মরিচ আবার কখনও বা কাচকলাও দেখেছেন টিএসসির নিয়মিত বাসিন্দারা। অনেক ঢাবি শিক্ষার্থী রসিকতা করে বলেও থাকেন, সম্ভব হলে দুনিয়ার সব ফল দিয়ে চা বানাতে পারতেন টিএসসির চা দোকানিরা। সেই ধারা বজায় রেখেই সম্প্রতি টিএসসির চা দোকানি শাহবুদ্দিনের হাত ধরে ঢাকার বুকে নেমে এসেছে ‘অপরাজিতা চা’। আর এসেই ব্যাপক আলোচনায় জায়গা করে নিয়েছে এই ব্যতিক্রমী চা। ‘চা’ মূলত ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে চীনে উৎপাদন শুরু হয়। আর ভারতবর্ষে এর চাষ শুরু হয় ১৮১৮ খ্রিষ্টাব্দে। ১৮৫৫ খ্রিষ্টাব্দে ব্রিটিশরা সিলেটে সর্বপ্রথম চায়ের গাছ খুঁজে পায়। এরপর ১৮৫৭ সালে সিলেটের মালনীছড়ায় শুরু হয় বাণিজ্যিক চা-চাষ। পৃথিবীতে আসাম এবং চীনজাতীয় - এ দুই প্রকারের চা গাছ দেখতে পাওয়া যায়। তন্মধ্যে আসামজাতীয় চা গাছ ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অধিক চাষ করা হয়। এ ধরনের গাছ বেশ বড় এবং বহু পাতাযুক্ত হয়। বিধায়, এটি বাণিজ্যিকভিত্তিতে চাষ করার জন্যে বিশেষ উপযোগী। এ গাছ প্রায় ৬ মিটার বা ২০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। পাতার নাগাল পাওয়া এবং পাতা সংগ্রহের জন্য গাছগুলোকে ১.২ মিটার বা ৪ ফুটের অধিক বড় হতে দেয়া হয় না। ছেঁটে দেয়ার ফলে চা গাছগুলো ঘণঝোঁপে পরিণত হয়।